শেফিল্ড টাইম্স ডিজিটাল ডেস্ক : “ভারতের বিচারব্যবস্থা অত্যন্ত সুদৃঢ়। এর মধ্য স্বচ্ছতা রয়েছে। এই ব্যবস্থা স্বাধীনও।” কথাগুলি বললেন উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। দিল্লি আবগারি নীতি মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তার প্রেক্ষিতে মন্তব্য করেছে আমেরিকা, জার্মানি এবং রাষ্ট্রসংঘ। এই আবহে ধনখড়ের মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।
{link}
বার অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত অনুষ্ঠানে ধনখড় বলেন, “পৃথিবীতে অনেক মানুষ আছেন, যাঁরা আমাদের দেশের বিচার ব্যবস্থা নিয়ে বক্তৃতা দিয়ে বেড়ান।” এর পরেই তিনি বলেন, “ভারতের বিচারব্যবস্থা যথেষ্ট শক্তিশালী।”জাতীয়তাবাদের প্রতি দেশবাসীকে দায়বদ্ধ হওয়ার পরামর্শও এদিনের অনুষ্ঠানে দেন ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। বলেন, “আমরা এমন কোনও দেশ নয়, যাদের অন্যের কাছ থেকে উপদেশ নিতে হবে। যুব সমাজ যাতে বিষয়টি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া এবং অন্যান্য প্লাটফর্মে সরব হয়, সেই পরামর্শও দেন উপরাষ্ট্রপতি।” যেসব দেশ অজ্ঞানতাবশত ভারত সম্পর্কে মন্তব্য করছে, তাদের কাছে এ দেশের মহিমা প্রচার করার বার্তাও দেন ধনখড়।
{link}
ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের একটি অনুষ্ঠানেও যোগ দেন উপরাষ্ট্রপতি। সেখানে তিনি বলেন, “ভারত গণতান্ত্রিক দেশ। এ দেশের বিচারব্যবস্থা দাঁড়িয়ে রয়েছে শক্ত ভিতের ওপর। এই ব্যবস্থা কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর সঙ্গে আপোস করতে পারে না। আমাদের দেশের বিচারব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে হবে আমাদের, যাতে করে দেশ বিরোধী শক্তি মিথ্যে প্রচার করতে না পারে। দেশে যে গণতন্ত্র রয়েছে, তাকেও আগলে রাখতে হবে আমাদের।” উপরাষ্ট্রপতি বলেন, “এটা (কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার) তাদের (বিচারব্যবস্থার) কাজ। কিন্তু যদি একদল লোক যাদের না আছে রেজিস্ট্রেশন কিংবা তারা কোনও স্বীকৃতিপ্রাপ্ত রাজনৈতিক দল কোনও রাজনৈতিক দলের মতো আচরণ করে, তাহলে আমরা কী করব? তাদের ধর্তব্যের মধ্যে আনার প্রয়োজন নেই। তাদের ট্রাকশান দেওয়া হয়েছে। আমাদের অবশ্যই এর ঊর্ধ্বে উঠতে হবে।” প্রসঙ্গত, কেজরিওয়াল গ্রেফতার হওয়ার পরে পরেই মন্তব্য ধেয়ে আসে আমেরিকা, জার্মানি এবং রাষ্ট্রসংঘের তরফে। তার প্রেক্ষিতে আমেরিকা ও জার্মানির ভারতে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতদের ডেকে সমঝে দেয় নয়াদিল্লি (Jagdeep Dhankhar)।
{ads}